গার্লফ্রেন্ড :গুড মরনিং! কি করছো? আজ কি তুমি ফ্রি আছো?
বয়ফ্রেন্ড :আমি রসআলো পড়ছি। তুমি?আর আজ আমি সবসময় ফ্রি।
গার্লফ্রেন্ড:আমি একটা কথা ভাবছি।
তুমি তো একদিন না একদিন ঢাকা যাবাই। তো তখন আমি কিভাবে থাকবো? আর তুমি যদি আমাকে ভুলে যাও!
বয়ফ্রেন্ড :আরে এতো টেনশন কিসের? ভালো রেজাল্ট
হলে তবে তো ঢাকা যাবো। আর আমার ফোন নাম্বার
তো জানোই! আর আমি জীবনে সবকিছু ভুলে গেলেও তোমায় ভুলবোনা। কারণ তোমাকে আমার
সবথেকে বেশি ভালো লাগে।
গার্লফ্রেন্ড :তোমাকে না খুব মিস করছি ;শুভ ! তুমি ছাড়া আমার মনের কথা আর কেউ বোঝেনা।
বয়ফ্রেন্ড:আমি একটা কথা বলবো?
তুমি আমাকে মিস করো, জানি।কিন্তু সেদিন যে তোমায় আমি প্রোপোজ করলাম। তুমি "না"বললে কেন ,মৌ? আমায় ভালোবাসলে না কেন ?আবার
নেগেটিভলি নিওনা!
গার্লফ্রেন্ড :আজ আমি একটা সত্যি কথা বলবো, শুভ? তোমায়
আমি ভালোবাসি কিনা ;তা আমি নিজেও জানিনা!
বয়ফ্রেন্ড :সেটা আমার অনেক আগে থেকেই মনে হতো ;মৌ। কিন্তু
তোমাকে আমি তা বলিনি।
আচ্ছা ,আমাকে ভালবাসলে তোমার প্রবলেম টা কি;মৌ?কদিন পর
তো তোমাকে কাউকে না কাউকে ভালোবাসতেই হবে!
গার্লফ্রেন্ড :কেন?
আমাকে কয়েকদিন পর
কাউকে ভালোবাসতে হবে কেন?
বয়ফ্রেন্ড :তুমি কি আজ পর্যন্ত এমন
কাউকে দেখাতে পারবা যে কোনোদিন
কাউকে ভালোবাসেনি। সবাই
কাউকে না কাউকে ভালোবাসে। কেউ
সে ভালোবাসা মনের মাঝেই আজীবন রেখে দেয় আর কেউ প্রকাশ করে। এই হলো তফাৎ।আর
কাউকে ভালোবেসে তার
সাথে সারাজীবন না কাটিয়ে হঠাৎ কারও সম্পর্কে না জেনে তার
সাথে আজীবন কাটানো কি এতটাই সুখের?
আমি তোমাকে এখনও ভালোবাসি ;মৌ।এখন বলো?
গার্লফ্রেন্ড :দূর!
আমি ওমনি মেয়ে না! বয়ফ্রেন্ড :আমিও ছোট থাকতে এমন বলতাম। আচ্ছা, তুমি বলো কাউকে ভালোবাসা কি অন্যায়?
আমি তো শুধু তোমার
ভালোবাসা চেয়েছি। তোমার
তো কোনো ক্ষতি করতে
চাই নি। আর তুমি তো জানো আমি এমন না। আমি তোমাকে মন
থেকেই খুব ভালোবাসি ;মৌ। তুমি কি চাও কেউ তোমাকে তার শরীরের
চাহিদা মেটানোর জন্য ভালোবাসুক? নাকি মন থেকে ভালোবাসুক?
গার্লফ্রেন্ড :অবশ্যই মন থেকে।
আচ্ছা, তোমার
পরীক্ষা কবে থেকে শুরু?? বয়ফ্রেন্ড :প্লিজ মৌ, কথাটা অন্য দিকে ঘুরিয়ে নিয়ে যেওনা! তুমি মন
থেকে বলো। আমি কিছু মনে করবো না!
গার্লফ্রেন্ড :কি বলবো রে বাবা!
বয়ফ্রেন্ড :আমার মাথা খারাপ হয়ে যাবে আর একটু পর! রাগ
করে বলছো নাকি না জানার ভান করে, বুঝতে পারছিনা! আমার প্রশ্ন
হলো আমাকে তুমি ভালোবাসতে পারবে না?
বয়ফ্রেন্ড :কি হলো মৌ ;রিপ্লে করছো না কেন? মা এসেছে?আমার টেনশন হচ্ছে খুব।
গার্লফ্রেন্ড :না। তবে একটু পরেই চলে আসবে! এত
টেনশন করছো কেন? বয়ফ্রেন্ড :এটা আমি কোন মেয়ের পাল্লায় পড়লাম রে বাবা! কখন একটা প্রশ্ন করেছি ;এখনও উত্তরই দিচ্ছেনা!
মাঝেমাঝে তোমার উপর এজন্যে খুব রাগ করতে ইচ্ছে করে! গার্লফ্রেন্ড :রাগ করলে মজাটা বুঝবা!!!
গার্লফ্রেন্ড :ইউ আর
ভেরি ডেনজারাস! এজন্যই
তোমাকে এতো ভালো লাগে। ম্যাডাম, এইবার নিশ্চয় উত্তরটা দিবেন!
গার্লফ্রেন্ড :তুমি জানোনা?
বয়ফ্রেন্ড :কিভাবে জানবো?
কখনো আমি এক্সসাইটেড হচ্ছি। কখনো আপসেট।
প্লিজ তাড়াতাড়ি বলো। প্লিজ!
গার্লফ্রেন্ড :কি বলবো?
বয়ফ্রেন্ড :এইবার
আমি সত্যি হার্টফেল করবো। তখন থেকে এক কথা বলতেই আছো!
আমি বললাম, আই লাভ ইউ! এবার তুমি তোমার মনের কথা বলো! মন থেকে দিও!
গার্লফ্রেন্ড :শুভ। মা বাসায় এসেছে!
তোমাকে পরে এসএমএস করবো। আবার মাইন্ড করোনা আমার উপর!
মন খারাপ শুভোর! সে দুপুরের খাবারও ঠিকমতো খেতে পারলোনা। শুধু স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা করতে লাগলো এই বলে যে ;মৌ যেন
তার মনের কথা বোঝে! বিকেলে ক্রিকেটের মাঠে উদাসীন
হয়ে খেলতে লাগলো! বন্ধুরা তাকে অনেক বোঝালো।
হঠাৎ তার ফোনে মৌ এর এসএমএস:-
তুমি কি আমার উপর মাইন্ড করেছো?
বয়ফ্রেন্ড :মাইন্ড করবো কেন? ব্যাস্ত ছিলাম।
আই লাভ ইউ। তোমার উত্তর টা কি?
যেকোনো একটা উত্তর দিও।
তার বুক ছটপট করছে।
কিছুক্ষণ পরেই মৌ এর ম্যাসেজ:-
ওকে ওকে ;আই লাভ ইউ। এখন
আমি পড়তে বসবো।আজ আর এসএমএস দিওনা।
তোমার শান্তি? ???
এই এসএমএস টা দেখেই শুভ
আনন্দে আত্মহারা হয়ে গেলো। এত আনন্দ বোধ হয়
সে আগে কখনও হয়নি!! ফোনের
এমারজেন্সি ব্যালেন্সও শেষ। সে আর
রিপ্লে করতে পারলোনা। তবে সেদিন ছিল তার জীবনের শ্রেষ্ঠ দিন। কারণ তার সবচেয়ে বড় স্বপ্ন
সেদিন তার পূরণ হয়েছে!! একটু পর
কোনো রিপ্লে না পেয়ে মৌ লিখল:- কি ব্যাপার মিস্টার ;হার্টফেল করলা নাকি?
সে মুচকি হাসলো। আবার তার চোখ থেকেও আনন্দে জল পড়ছে। সে চোখ বুঁজে স্রষ্টার
কাছে কৃতজ্ঞতা জানালো আর কানে হেডফোন লাগিয়ে স্যাড সং শুনে তার লাভারের কথা ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পড়ল। এটাই তার
লাভস্টোরির সূচনা।
তবে খুববেশিদিনের জন্য নয়। প্রায় চারমাস তাদের প্রেম চললো। তারপর সামান্য এক ভুলবোঝাবুঝি আর তাদের বাবা - মার জানাজানি মৌ এর মন দুর্বল করে দিলো।
ধীরে ধীরে তার ভালোবাসা কমতে থাকল। শুভ
মৌকে অনেক বুঝিয়েছে আর
সরি বলতে বলতে হাঁপিয়ে গিয়েছে! কিন্তু কোনো লাভ নেই। তার মায়ের পাতানো চাল তার
ভালবাসাকে অনেকটা মন
থেকে কমিয়ে দিয়েছে। মৌএর বিশ্বাস ও আর অতোটা ছিলনা। তার মায়ের ভয়ে তার পর
থেকে সে শুভর কোনোখোঁজখবরও রাখে নি। তার ব্রেক আপের শেষদিন মৌ তাকে এই ভালোবাসা কে ভুলেযেতে বলেছিল। পরেও শুভর
অনেক বোঝানোর
পরে সে শুভকে ভালোবাসতে রাজি হয়েছিল।
এরপরেই জানাজানি হওয়াই তাদের পরিবারের এসএমএস আদান-প্রদান বন্ধ। শুভর বিশ্বাস ছিল
একবার তাদের দেখা হলেই সব ঠিক হয়ে যাবে।
তবে তার জন্য প্রয়োজন চারটে স্টেশন পার হওয়া।
তার মধ্যে কয়েকমাস পরই তার এসএসসি। তাই
সে আর পারলো না।
তবে এতকিছুর পরও সে শুধু তাকেই ভালোবাসে। সেই
তার জীবনের সব। তাকে পাবার আশায় সে পথ
চেয়ে থাকে। এরপর
কি হলো ;তা এখনো জানা যায়নি।
আসলে ভালোবাসা ঠিক এমনই জিনিস। বিশ্বাসই
পারে ভালোবাসাকে টিকিয়ে রাখতে।
(((UNCOMPLETED)))
'Romeo Raj Partho
বয়ফ্রেন্ড :আমি রসআলো পড়ছি। তুমি?আর আজ আমি সবসময় ফ্রি।
গার্লফ্রেন্ড:আমি একটা কথা ভাবছি।
তুমি তো একদিন না একদিন ঢাকা যাবাই। তো তখন আমি কিভাবে থাকবো? আর তুমি যদি আমাকে ভুলে যাও!
বয়ফ্রেন্ড :আরে এতো টেনশন কিসের? ভালো রেজাল্ট
হলে তবে তো ঢাকা যাবো। আর আমার ফোন নাম্বার
তো জানোই! আর আমি জীবনে সবকিছু ভুলে গেলেও তোমায় ভুলবোনা। কারণ তোমাকে আমার
সবথেকে বেশি ভালো লাগে।
গার্লফ্রেন্ড :তোমাকে না খুব মিস করছি ;শুভ ! তুমি ছাড়া আমার মনের কথা আর কেউ বোঝেনা।
বয়ফ্রেন্ড:আমি একটা কথা বলবো?
তুমি আমাকে মিস করো, জানি।কিন্তু সেদিন যে তোমায় আমি প্রোপোজ করলাম। তুমি "না"বললে কেন ,মৌ? আমায় ভালোবাসলে না কেন ?আবার
নেগেটিভলি নিওনা!
গার্লফ্রেন্ড :আজ আমি একটা সত্যি কথা বলবো, শুভ? তোমায়
আমি ভালোবাসি কিনা ;তা আমি নিজেও জানিনা!
বয়ফ্রেন্ড :সেটা আমার অনেক আগে থেকেই মনে হতো ;মৌ। কিন্তু
তোমাকে আমি তা বলিনি।
আচ্ছা ,আমাকে ভালবাসলে তোমার প্রবলেম টা কি;মৌ?কদিন পর
তো তোমাকে কাউকে না কাউকে ভালোবাসতেই হবে!
গার্লফ্রেন্ড :কেন?
আমাকে কয়েকদিন পর
কাউকে ভালোবাসতে হবে কেন?
বয়ফ্রেন্ড :তুমি কি আজ পর্যন্ত এমন
কাউকে দেখাতে পারবা যে কোনোদিন
কাউকে ভালোবাসেনি। সবাই
কাউকে না কাউকে ভালোবাসে। কেউ
সে ভালোবাসা মনের মাঝেই আজীবন রেখে দেয় আর কেউ প্রকাশ করে। এই হলো তফাৎ।আর
কাউকে ভালোবেসে তার
সাথে সারাজীবন না কাটিয়ে হঠাৎ কারও সম্পর্কে না জেনে তার
সাথে আজীবন কাটানো কি এতটাই সুখের?
আমি তোমাকে এখনও ভালোবাসি ;মৌ।এখন বলো?
গার্লফ্রেন্ড :দূর!
আমি ওমনি মেয়ে না! বয়ফ্রেন্ড :আমিও ছোট থাকতে এমন বলতাম। আচ্ছা, তুমি বলো কাউকে ভালোবাসা কি অন্যায়?
আমি তো শুধু তোমার
ভালোবাসা চেয়েছি। তোমার
তো কোনো ক্ষতি করতে
চাই নি। আর তুমি তো জানো আমি এমন না। আমি তোমাকে মন
থেকেই খুব ভালোবাসি ;মৌ। তুমি কি চাও কেউ তোমাকে তার শরীরের
চাহিদা মেটানোর জন্য ভালোবাসুক? নাকি মন থেকে ভালোবাসুক?
গার্লফ্রেন্ড :অবশ্যই মন থেকে।
আচ্ছা, তোমার
পরীক্ষা কবে থেকে শুরু?? বয়ফ্রেন্ড :প্লিজ মৌ, কথাটা অন্য দিকে ঘুরিয়ে নিয়ে যেওনা! তুমি মন
থেকে বলো। আমি কিছু মনে করবো না!
গার্লফ্রেন্ড :কি বলবো রে বাবা!
বয়ফ্রেন্ড :আমার মাথা খারাপ হয়ে যাবে আর একটু পর! রাগ
করে বলছো নাকি না জানার ভান করে, বুঝতে পারছিনা! আমার প্রশ্ন
হলো আমাকে তুমি ভালোবাসতে পারবে না?
বয়ফ্রেন্ড :কি হলো মৌ ;রিপ্লে করছো না কেন? মা এসেছে?আমার টেনশন হচ্ছে খুব।
গার্লফ্রেন্ড :না। তবে একটু পরেই চলে আসবে! এত
টেনশন করছো কেন? বয়ফ্রেন্ড :এটা আমি কোন মেয়ের পাল্লায় পড়লাম রে বাবা! কখন একটা প্রশ্ন করেছি ;এখনও উত্তরই দিচ্ছেনা!
মাঝেমাঝে তোমার উপর এজন্যে খুব রাগ করতে ইচ্ছে করে! গার্লফ্রেন্ড :রাগ করলে মজাটা বুঝবা!!!
গার্লফ্রেন্ড :ইউ আর
ভেরি ডেনজারাস! এজন্যই
তোমাকে এতো ভালো লাগে। ম্যাডাম, এইবার নিশ্চয় উত্তরটা দিবেন!
গার্লফ্রেন্ড :তুমি জানোনা?
বয়ফ্রেন্ড :কিভাবে জানবো?
কখনো আমি এক্সসাইটেড হচ্ছি। কখনো আপসেট।
প্লিজ তাড়াতাড়ি বলো। প্লিজ!
গার্লফ্রেন্ড :কি বলবো?
বয়ফ্রেন্ড :এইবার
আমি সত্যি হার্টফেল করবো। তখন থেকে এক কথা বলতেই আছো!
আমি বললাম, আই লাভ ইউ! এবার তুমি তোমার মনের কথা বলো! মন থেকে দিও!
গার্লফ্রেন্ড :শুভ। মা বাসায় এসেছে!
তোমাকে পরে এসএমএস করবো। আবার মাইন্ড করোনা আমার উপর!
মন খারাপ শুভোর! সে দুপুরের খাবারও ঠিকমতো খেতে পারলোনা। শুধু স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা করতে লাগলো এই বলে যে ;মৌ যেন
তার মনের কথা বোঝে! বিকেলে ক্রিকেটের মাঠে উদাসীন
হয়ে খেলতে লাগলো! বন্ধুরা তাকে অনেক বোঝালো।
হঠাৎ তার ফোনে মৌ এর এসএমএস:-
তুমি কি আমার উপর মাইন্ড করেছো?
বয়ফ্রেন্ড :মাইন্ড করবো কেন? ব্যাস্ত ছিলাম।
আই লাভ ইউ। তোমার উত্তর টা কি?
যেকোনো একটা উত্তর দিও।
তার বুক ছটপট করছে।
কিছুক্ষণ পরেই মৌ এর ম্যাসেজ:-
ওকে ওকে ;আই লাভ ইউ। এখন
আমি পড়তে বসবো।আজ আর এসএমএস দিওনা।
তোমার শান্তি? ???
এই এসএমএস টা দেখেই শুভ
আনন্দে আত্মহারা হয়ে গেলো। এত আনন্দ বোধ হয়
সে আগে কখনও হয়নি!! ফোনের
এমারজেন্সি ব্যালেন্সও শেষ। সে আর
রিপ্লে করতে পারলোনা। তবে সেদিন ছিল তার জীবনের শ্রেষ্ঠ দিন। কারণ তার সবচেয়ে বড় স্বপ্ন
সেদিন তার পূরণ হয়েছে!! একটু পর
কোনো রিপ্লে না পেয়ে মৌ লিখল:- কি ব্যাপার মিস্টার ;হার্টফেল করলা নাকি?
সে মুচকি হাসলো। আবার তার চোখ থেকেও আনন্দে জল পড়ছে। সে চোখ বুঁজে স্রষ্টার
কাছে কৃতজ্ঞতা জানালো আর কানে হেডফোন লাগিয়ে স্যাড সং শুনে তার লাভারের কথা ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পড়ল। এটাই তার
লাভস্টোরির সূচনা।
তবে খুববেশিদিনের জন্য নয়। প্রায় চারমাস তাদের প্রেম চললো। তারপর সামান্য এক ভুলবোঝাবুঝি আর তাদের বাবা - মার জানাজানি মৌ এর মন দুর্বল করে দিলো।
ধীরে ধীরে তার ভালোবাসা কমতে থাকল। শুভ
মৌকে অনেক বুঝিয়েছে আর
সরি বলতে বলতে হাঁপিয়ে গিয়েছে! কিন্তু কোনো লাভ নেই। তার মায়ের পাতানো চাল তার
ভালবাসাকে অনেকটা মন
থেকে কমিয়ে দিয়েছে। মৌএর বিশ্বাস ও আর অতোটা ছিলনা। তার মায়ের ভয়ে তার পর
থেকে সে শুভর কোনোখোঁজখবরও রাখে নি। তার ব্রেক আপের শেষদিন মৌ তাকে এই ভালোবাসা কে ভুলেযেতে বলেছিল। পরেও শুভর
অনেক বোঝানোর
পরে সে শুভকে ভালোবাসতে রাজি হয়েছিল।
এরপরেই জানাজানি হওয়াই তাদের পরিবারের এসএমএস আদান-প্রদান বন্ধ। শুভর বিশ্বাস ছিল
একবার তাদের দেখা হলেই সব ঠিক হয়ে যাবে।
তবে তার জন্য প্রয়োজন চারটে স্টেশন পার হওয়া।
তার মধ্যে কয়েকমাস পরই তার এসএসসি। তাই
সে আর পারলো না।
তবে এতকিছুর পরও সে শুধু তাকেই ভালোবাসে। সেই
তার জীবনের সব। তাকে পাবার আশায় সে পথ
চেয়ে থাকে। এরপর
কি হলো ;তা এখনো জানা যায়নি।
আসলে ভালোবাসা ঠিক এমনই জিনিস। বিশ্বাসই
পারে ভালোবাসাকে টিকিয়ে রাখতে।
(((UNCOMPLETED)))
'Romeo Raj Partho
0 comments:
Post a Comment